সংবাদ শিরোনাম :
আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী: রাব্বানী ‘রোহিঙ্গাদের স্মার্ট কার্ডের বিষয়ে কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা’ রাজ-শুভশ্রীর সংসারে এবার ‘ধর্মযুদ্ধ’ সবুজ আন্দোলন ছাত্রফ্রন্ট রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রায়পুরায় জাতীয় স্কুল-মাদ্রাসা আন্ত:ফুটবল খেলোয়ারদের উপর হামলায় আহত ২০ নরসিংদীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই-পুলিশ সুপার ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার আশা এডওয়ার্ড স্নোডেনের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২৩ কাচপুরে গার্মেন্ট শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ জনগণ যেন বন্ধু ভাবতে পারে, পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী

অফস্পিন এ ভরসা মেহেদি মিরাজ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯

ইংল্যান্ডের মাঠগুলো তুলনামূলক ছোট। গেল ক’বছর উইকেট তুলনামূলক ফ্লাট। বিশ্বকাপের জন্য কতৃপক্ষ আবার ফ্লাট উইকেটের জন্য বাড়তি তাগাদা দেয়। পেস বোলাররা সেখানে ঠিকমতো পাত্তা পাননা। স্পিনারদের ভালো করা আরও কঠিন।

তবে লেগ স্পিন হলে কথা কিছুটা ভিন্ন। তারা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রান চেক দেওয়া, উইকেট তুলে নেওয়ার কাজটা করতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ অফ স্পিনার মেহেদি মিরাজ আশাবাদী, তিনি তার অফ স্পিন দিয়েই টাইগারদের লেগ স্পিনারের অভাব পূরণ করতে পারবেন।

পেসারদের সহায়তা করতে আশাবাদী তিনি, ‘আমার মতে, এই কন্ডিশনে স্পিনারদের কাজ ব্যাটসম্যানদের থামিয়ে রাখা। অন্য বোলারদের সহায়তা করা। আমি রানের চাকা আটকাতে পারলে অন্য প্রান্ত থেকে উইকেট আসবে। ব্যাটসম্যানদের বেঁধে রাখার চিন্তা মাথায় রেখেই আমি বোলিং করবো।’

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে প্রায় সবদলেই একজন করে ঝানু লেগ স্পিনার আছে। ইমরান তাহির, কুলদীপ যাদব, রশিদ খান, শাদাব খানদের দিকে চোখ থাকবে অন্য দলের। স্পিন দিয়ে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান এবং মেহেদি মিরাজও প্রতিপক্ষকে চিন্তায় ফেলতে পারেন।

মিরাজ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানেই চাপ। আমিও এই টুর্নামেন্টকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি। ইংলিশ কন্ডিশনে কেমন করি তা দেখার ভালো সুযোগ এটা। দল আমার ওপর ভরসা রাখছে। আমাকে সেটার প্রতিদান দিতে হবে। যেহেতু আমাদের লেগ স্পিনার নেই। ওই জায়গা আমি পূরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’

বাংলাদেশ দল রোববার বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে। গা গরমের জন্য নামবে বাংলাদেশ দলও। তবে ম্যাচটাও বাংলাদেশ জিততে চায় বলে জানান মিরাজ। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো করতে পারলে মূল পর্বে চাপ কম থাকবে। বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ভালো সুযোগ এটা। মিরাজরা তাই হালকাভাবে নিচ্ছেন না কিছুই।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের কার্ডিফে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই স্টেডিয়ামে ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারায় বাংলাদেশ। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে হারায় কিউইদের। এই স্টেডিয়ামে খেলতে নামলে সুখ স্মৃতি তাই উকি দেয়। দল কিছুটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস পায়। ভালো খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও তাই জয়ের আশা মেহেদি মিরাজের।

সূত্র:- সমকাল

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..