প্রেম, বিয়ের আগেই বাসা ভাড়া করে ঢাকায় এক সাথে থাকা, অতঃপর ধর্ষণ মামলা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯
  • ৫ বার পঠিত

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সোহেল রানা (২৫) নামে এক পোশাক কারখানার শ্রমিকের বিরুদ্ধে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোহেল রানা ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের রাঙ্গামাটি (ফকিরবাড়ি) গ্রামের জায়েদ আলীর ছেলে। ধর্ষণের শিকার ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী বাদি হয়ে সোহেল রানার ও তার মা-বাবার বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালান্দা গ্রামের হতদরিদ্র সাহেব আলীর প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৪) মেয়ের সাথে সোহেল রানার প্রায় এক বছর আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সোহেল রানা ঢাকার চান্দুরা এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে। মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ৫ জানুয়ারি ঢাকার চান্দুরা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায় সোহেল রানা। সেখানে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস করতে থাকে।

এ অবস্থায় সোহেল রানাকে কিশোরী মেয়েটি বার বার বিয়ের চাপ দেয়। কিন্তু বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সোহেল রানা। এক পর্যায়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে রবিবার ঢাকা থেকে শেরপুর বালান্দা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে আসে সোহেল রানা। সেখান থেকে বিয়ের কেনাকাটা করার কথা বলে মেয়েটির বাড়ি থেকে শেরপুর শহরের উদ্দেশ্যে বের হয়ে সোহেল রানা নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।

এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের পরিবারের লোকজন সোহেল রানার কোন সন্ধান করতে পারেনি। এ অবস্থায় কিরোশী মেয়েটি বাদি হয়ে সোমবার রাতে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। ওই অভিযোগে প্রেমিক সোহেল রানা ও তার মা-বাবাকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, প্রতিবন্ধী কিশোরীর অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..