রাজারহাটে পোল্ট্রি শিল্পের অপার সম্ভাবনা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
ai

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম):

তরুনেরাই লড়বে তরুনেরাই গড়বে এই নীতি বাক্য সামনে নিয়ে যেন এগিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের অগ্য যাত্রায় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে অবদান রেখে চলেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এক ঝাঁক যুবক। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) তাদের সমীক্ষায় বাংলাদেশের জি.ডি.বি প্রবৃদ্ধি হারের যে পূর্বাভাস করেছেন তাহা সারা বাংলাদেশের যুবকদের আরও প্রত্যয়ী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

রাজারহাটের সাতটি ইউনিয়নের ২২৩-২৫০ জন যুবক বয়লার, লেয়ার ও সোনালী, খামারী হিসাবে নিজেদের কে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এখন তাহারা প্রত্যেকেই স্বাবলম্বী এবং স্বনিরভরতা অর্জন করেছেন। কথা হয় উপজেলা সদর রাজারহাট ইউনিয়নের কিশামত পুনকর গ্রামের আব্দুল হক এর পুত্র রেজাউল করিম এর সাথে ১৯৯৪ ইং সালে এস.এস.সি পাশ করার পর পড়াশুনা চালিয়ে নেওয়ার কোন উপায় না থাকায় উপজেলা যুব উন্নয়ন কেন্দ্র হইতে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বল্প পরিসরে পোল্ট্রি খামার শুরু করেন। বর্তমানে প্রায় ১৫০০ থেকে ২৫০০ শত মুরগি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন সেড তৈরি করছেন। একাধিক লোক মাসিক বেতনে কাজ করেন। সব খরচ বাদে প্রতিমাসে ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ হাজার টাকা আয় করেন এবং রাজারহাট বাজারে রুবা পোল্ট্রি ফিট নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তাহার এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মোস্তফা জামান, আতিকুল ইসলাম, আনারুল হক, আবুল কালাম আজাদ, রাজারহাট ইউনিয়নের মিন্টু, নাজমুল, উমরমজিদ ইউনিয়নের

আশরাফুল,ছিনাই ইউনিয়নের আব্দুস সাত্তার, জয়নাল আবেদীন এবং ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের কাওছার আলী সহ অনকেই পোল্ট্রি খামার গড়ে তুলে যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন তেমনি নিজেদের কে বেকারত্বে অভিশাপ হতে মুক্ত করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ জোবাইদুল কবির বলেন, রাজারহাট উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নের ২২৩-২৫০টি বয়লার, লেয়ার ও সোনালী খামারীদেরকে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন ভাবে পরার্মশ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..