সংবাদ শিরোনাম :
রায়পুরায় শীতার্তদের মাঝে কেন্দ্রীয় নেতা কাওছারের কম্বল বিতরণ নরসিংদীর চিনিশপুরে মরহুম নেতাদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নরসিংদীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে কাল রায়পুরায় রাইস প্লান্টারের মাধ্যমে ৫০ একর জমিতে ধানের চারা রোপণ উদ্বোধন নরসিংদীতে গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তাতরের অপেক্ষায় ২২১ টি ঘর ভারতের করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটে আগুন বাংলাদেশের কাছে ভারতের করোনা ভ্যাকসিন হস্তান্তর সংসদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরল টাইগাররা

বেলাব উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সম্মানী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক

নরসিংদীর বেলাব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সমসের জামান ভুইয়া রিটনের বিরুদ্ধে দুই ভাইস চেয়ারম্যানের সম্মানী ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা ও ভ্রমণ ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নরসিংদী সার্কিট হাউসে তদন্ত সম্পন্ন করেছেন ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার খান মো. নুরুল আমিন। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনা ও নরসিংদী জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করেন মনিরুজ্জামান ও খালেদা আক্তার নামে উপজেলার দুই ভাইস চেয়ারম্যান।

বেলাব উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান ও খালেদা আক্তার জানান, আমাদের প্রাপ্য ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের সম্মানী ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা ও ভ্রমণ ভাতার ৭০ হাজার টাকা। আমাদের অবগত না করে সেই টাকা অবৈধভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে স্বাক্ষর করে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতেও তিনি ওই টাকা আমাদের দেয়নি। এ ঘটনায় আমরা দুই ভাইস চেয়ারম্যান যৌথভাবে গত নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করি।

তবে অভিযুক্ত উপজেলা চেয়ারম্যান সমসের জামান ভুইয়া রিটন জানান, উপজেলা পরিষদের দুই ভাইস চেয়ারম্যানের সম্মতিতে তাদের চেক নিয়ে আমি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে সামাজিক কমর্কাণ্ডে (একটি মাজারের ওরসে) এই সম্মানী ভাতার টাকা ব্যয় করেছি। কিন্তু পরবর্তীতে তারা এই টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং আমি তাদের প্রাপ্য ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিতে চাইলে তারা তা না নিয়ে রাজনৈতিকভাবে আমাকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে এই অভিযোগ করেন।

তদন্ত শেষে ঢাকার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার খান মো. নুরুল আমিন এই বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তসহ দুপক্ষের সংশ্লিষ্ট লোকজনের বক্তব্য শুনেছেন তিনি। ফিরে গিয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের কাছে এ বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে এ সময় জানানো হয়।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..