সংবাদ শিরোনাম :
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন করবে সরকার নরসিংদীতে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত নরসিংদীতে দৈনিক আমাদের কন্ঠ’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বেলাবতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আঃ মজিদ’র মৃত্যু বার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের জাতীয় পতাকা মিছিল ও মানববন্ধন বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদল পুলিশ সংঘর্ষ; ছাত্রদলের ১৩ নেতাকর্মী রিমান্ডে নরসিংদী পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের আমজাদ হোসেন বাচ্চু বিজয়ী নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নরসিংদী পৌরসভার স্থগিত চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহন সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জে পরকীয়ার জেরে খুন, নারীসহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক

পরকীয়ার জেরে খুনের ঘটনায় এক নারীসহ দুইজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার জেলার প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও জায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিজেশ্বর গ্রামের সুমনা বেগম ওরফে শিলা এবং তার কথিত প্রেমিক একই গ্রামের কাজী নজরুল ইসলাম।

এছাড়া আদালত প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং জরিমানার টাকা আদায় করে নিহতের পরিবারকে প্রদানের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন।

রায় ঘোষণার সময় কাজী নজরুল ইসলামসহ অন্য আসামিদের জেলখানা থেকে কাঠগড়ায় আনা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে অভিযুক্ত আশরাফুল হক রাসেল ও মো. শরীফ মিয়াকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণে প্রকাশ, সুমনা বেগম ওরফে শিলা ভৈরবের চন্ডিবেড় এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকত। তার বাসায় কবিরাজ মো. নবী হোসেনের আসা-যাওয়া ও অবৈধ সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে শিলা নিজ এলাকার কাজী নজরুল নজরুল ইসলামের সঙ্গেও অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে দুইজনে মো. নবী হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে মেলায় যাওয়ার কথা বলে নবী হোসেন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ঘরে ফিরেনি। ২৪ ডিসেম্বর রাতে ভৈরব থানার পুলিশ ভৈরব বাজারস্থ মেঘনা নদীর পাড়ে বাগানবাড়ি বেড়িবাঁধের নিকট থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় হাত-পা বিহীন অবস্থায় মো. নবী হোসেনের দেহ মেলে। পরে একটি ডোবা থেকে তার মাথা ও নাটাল এলাকার একটি কালভার্টের নিচ থেকে তার দুই হাত ও দুই পা উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে সন্দেহজনকভাবে সুমনা বেগমকে গ্রেফতার করে এবং তার দেখানো মতে বাথরুম থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পরে সুমনা বেগম আদালতে হত্যায় জড়িতদের নাম উল্লেখ করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিআইডির এসআই নয়ন মিয়া মামলাটি তদন্ত শেষে মোট চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..