Headline :
আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করলো লোকিয়া লিমিটেড বাংলাদেশ নরসিংদী সম্পাদক পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শহীদ মিনার উদ্বোধনের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজের যাত্রা শুরু করলেন এমপি ফরিদা ইয়াসমিন দীর্ঘ ২ যুগ পর নিজ দল আওয়ামীলীগে ফিরলেন বিএনপি সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আবু নূর শেরপুরে বেপরোয়া সিএনজির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু নওগাঁর আত্রাইয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অনুদানের চেক বিতরন কিশোরগঞ্জে চামড়ার বাজারে ধস, হতাশ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নরসিংদীতে সাবেক ইউপি সদস্যের উপর হামলা গুলি ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রায়পুরায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন নিম্ন আয়ের প্রায় ৭শ মানুষ বারৈচাতে উদ্বোধন হলো সুমন রেষ্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টার‘কাচ্চি ঘর’
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে চামড়ার বাজারে ধস, হতাশ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪

মো. ইমরান হোসেন, কিশোরগঞ্জ:

কিশোরগঞ্জের কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে ধস নেমেছে। চামড়ার দাম অনেক কম হওয়ায় বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসান গুনছেন জেলার খুচরা ও মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি লবণের দাম বেড়ে যাওয়া এবং ট্যানারি মালিকরা চামড়ার দাম কম নির্ধারণ করায় চামড়া সংরক্ষণ নিয়ে বিপাকে পড়েছে আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমানো হয়েছে। তবে সংল্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার ট্যানারি মালিকের সিন্ডিকেটের প্রভাব পড়েছে কিশোরগঞ্জের চামড়ার বাজারে। চামড়া বরাবরই লাভজনক হওয়ায় কোরবানির ঈদে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনেন। কিন্তু এ বছর জেলার বৃহত্তম চামড়ার হাটে বেচাকেনা শুরু হলেও প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। প্রতি পিস গরুর চামড়া ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা কিনলেও পাইকারের কাছ থেকে ৯০০ টাকাও দাম পাচ্ছেন না তারা। এর ফলে বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসানে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে বাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। চামড়ার দাম না পেয়ে দিশেহারা মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার পশুর চামড়া নিয়ে বাজারে এসেছেন মৌসুমী ব্যাপারীরা। কিন্তু ট্যানারি মালিকরা সরকার নির্ধারিত দামের অর্ধেকেরও কম বলছে। কেউ কেউ ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচের ভয়ে পানির দরে ট্যানারি মালিকদের হাতে চামড়া তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মো: মুরশিদ মিয়া, চানু রবি দাস, মো: হাশেম, কামলা রবিদাস সহ আরো অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা প্রতিপিস চামড়া লবন ও যাতায়াতসহ ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দাম পড়েছে। কিন্তু এখন বাজারে এসে ৮শ থেকে ৯শ টাকা দাম বলছে। এখন আমাদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হবে। আমাদের বাড়ি ঘর বিক্রি ছাড়া কোন উপায় নাই। ট্যানারী কোম্পানীগুলো সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দিচ্ছে। আমরা সরকারের নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রি করতে চাই।
চানু রবিদাস নামের এক চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, আমি ২শ পিস ছাগলের চামড়া নিয়ে এসেছি। প্রতিপিস চামড়া লবন দেওয়ার পর ৩০-৩৫ টাকা কিনা পড়ছে। এখন বাজারে প্রতিপিস চামড়া ২০টাকা বলে। এখন আমরা বিক্রি করব কত ? বউবাচ্চা নিয়ে কিভাবে চলব।

এ বিষয় এ্যাপেক্স ট্যানারি লি: এর জিএম মির্জা আজম বলেন, আমরা কোন প্রকার সিন্ডিকেট করিনি। সরকার নির্ধারিত চামরা কিনলে আমরা সেই দামে বিক্রি করতে পারি না। আর আমরা খুচরা পাইকারদের কাছ থেকে জোর করে চামড়া কিনতে চাই না। আমাদের পছন্দমত দাম বলি। তারা এ দামে বিক্রি করলে আমরা চামড়া কিনব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল