Headline :
আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করলো লোকিয়া লিমিটেড বাংলাদেশ নরসিংদী সম্পাদক পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শহীদ মিনার উদ্বোধনের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজের যাত্রা শুরু করলেন এমপি ফরিদা ইয়াসমিন দীর্ঘ ২ যুগ পর নিজ দল আওয়ামীলীগে ফিরলেন বিএনপি সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আবু নূর শেরপুরে বেপরোয়া সিএনজির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু নওগাঁর আত্রাইয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অনুদানের চেক বিতরন কিশোরগঞ্জে চামড়ার বাজারে ধস, হতাশ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নরসিংদীতে সাবেক ইউপি সদস্যের উপর হামলা গুলি ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রায়পুরায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন নিম্ন আয়ের প্রায় ৭শ মানুষ বারৈচাতে উদ্বোধন হলো সুমন রেষ্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টার‘কাচ্চি ঘর’
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ১২৩ Time View
Update : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নরসিংদীর ঘোড়াশালে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (১২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে সুইচ টিপে আনুষ্ঠানিকভাবে কারখানাটির উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে, দুপুর ১২টার কিছুক্ষণ আগে সেখানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। কারখানাটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশে সারের ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশে সূচিত হবে নতুন দিগন্ত।

উদ্বোধন শেষে সার কারখানা স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন শেখ হাসিনা।

এরপর বিকেল ৩টার দিকে নরসিংদী জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। নরসিংদীর মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে জনসভায় বক্তব্য শেষে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে হেলিকপ্টারে করে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু করলো দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই ইউরিয়া সার কারখানাটি। এছাড়াও কারখানাটি চালু হওয়ায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হবেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী এডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, নরসিংদী-২ সংসদীয় আসনের সাংসদ ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দীলিপ, বিসিআইসির চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক রাজিউর রহমান মল্লিক. জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, দেশের সারের ঘাটতি পূরণসহ কৃষি খ্যাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন, শক্তি সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর একটি সার কারখানা নির্মাণের উদ্দ্যোগ নেয় সরকার। পরবর্তীতে সিসি সেভেন নামে একটি চীনা এবং জাপানের মিৎসুবিশি হেভী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামে এ দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১০ মার্চ নরসিংদী পলাশ উপজেলায় ১১০ একর জমিতে ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের’ কাজ শুরু করে দায়িতপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি । ১৫ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বয়ে ২০২৩’র ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের দুইমাস আগেই কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে পরীক্ষামূলক সার উৎপাদন শুরু করে কারখানাটি। রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে কারখানাটি চুড়ান্তভাবে উৎপাদন শুরু করেছে।

প্রতিদিন ২ হাজার ৮শ মে. টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব বৃহৎ অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর সারকারখানাটি বছরে ১০ লাখ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে। নির্ধারিত সময়ের দুইমাস আগে কারখানাটি চালু হওয়ায় প্রায় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার অতিরিক্ত সার উৎপাদন হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রজেক্টের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশন) এ এস এম মোসলেহ উদ্দিন জানান, ‘কারখানটিতে বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করায় আগামী ৩০ বছরের মধ্যে কোনো কিছুতে হাত দিতে হবে না। সেই সাথে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরাও ফার্টিলাইজার সেক্টরে এখন অনেক বেশী অভিজ্ঞ। ফলে কারখানায় যে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধান করতে আমরা সক্ষম।’

এদিকে ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজারের প্রকল্প পরিচালক মো. রাজিউর রহমান মল্লিক জানান, আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কারখানাটি উদ্বোধন করার মধ্যদিয়ে উৎপাদন শুরু হয়। এতে স্থায়ী কর্মসংস্থান হয়েছে ৯৬৮ জন লোকের। এছাড়াও ১৫ শ’ থেকে দুই হাজার লোক কারখানায় বিভিন্ন কাজে ডেইলি বেসিসে কাজ করার সুযোগ পাবে। যেমন. সার কারখানায় লোডিং- আনলোডিং. সার বস্তাবন্দি করা, প্যাক করা, ট্রাকে, ট্রেনে উঠানো এসব জায়গায় কমপক্ষে দুই হাজার লোকের কর্ম সংস্থান হবে। সর্বোপুরি কারখানাটিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৩০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, ইতোপূর্বে আমরা পরিক্ষামূলক ভাবে কারখানাটি চালিয়েছি সে সময় আমাদের দেশের লোকেরা অপারেশন সিস্টেম চালিয়েছে আর বিদেশিরা দাঁড়িয়ে তা দেখছে। কোন রকম ভুল হলে তারা সেটা ধরিয়ে দিচ্ছে, দেখিয়ে দিচ্ছে। এতে করে আমাদের দেশের লোকদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং হাতে কলমে শিক্ষা নিতে পেরেছে।, আমাদের অফিসার, অপারেটররা ক্যাপাবল, তারা তাদের সামর্থ্য দেখিয়েছে। তাদেরকে যথেষ্ট সাফিসিয়েন্ট ট্রেনিং দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল