1. mostafa0192@gmail.com : admin :
ভৈরবে সরিষার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি - আলোকিত খবর
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ভেড়ামারা সরকারি কলেজে চুরি আমি চাঁদাবাজ নই, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে : যুবলীগ নেতা আতিক নরসিংদীতে মেঘনার পাড়ে বাউল সাধকদের পদচারণায় মুখোর ঐতিহ্যবাহী বাউল মেলা রায়পুরায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা রায়পুরায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের অর্থায়নে শীত বস্ত্র বিতরণ রায়পুরা উপজেলা মডেল কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ৬ষ্ট বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্টশিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন : আনোয়ারুল আশরাফ খান রায়পুরায় মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যানের কম্বল বিতরণ লায়ন মুজিব-মুনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে নেপালের রাষ্ট্রদূত ভৈরবে ১শকেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্য্যব-১৪

ভৈরবে সরিষার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশকাল : রবিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২২ সময়

ইমন মাহমুদ লিটন, ভৈরব ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ভৈরব উপজেলা ৭বটি ইউনিয়নের গ্রামেই ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়েছে সরিষার। তবে উপজেলার আওয়াল কান্দ, কালিকাপ্রসাদ, আগানগর,সাদেকপুর, শ্রীনগর,শিমুল কান্দি, ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ করেছে স্হানীয় কৃষকরা। যদি অনুকূল আবহাওয়া থাকে তাহলে সরিষার ফলন ধানের চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। তারা সরিষা ঘরে তুলেই ধান চাষের জন্য জমি তৈরি করতে শুরু করবেন। এখন এসব এলাকার চাষিরা সরিষার পরিচর্যা নিয়ে ব্যাপক সময় পার করছেন। জমি থেকে পাকা সরিষা সংগ্রহ করতে পারলেই কৃষকদের চিন্তা দূর হবে।

চলতি মৌসুমে পুরো উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে সরিষার। আবহাওয়া অনুকূলে তারপরও দুঃচিন্তায় প্রহর গুনে দিন কাটাচ্ছে কৃষকরা। গত মৌসুমের তুলনায় এবার অনেক বেশি সরিষার আবাদ হচ্ছে ভৈরব উপজেলা জুড়ে। কৃষকের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন জাতের সরিষার আবাদ হলেও টরি ৭, বারি ১৪, বীনা ৯ সহ কয়েক জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

আগানগর এলাকার কৃষক জালাল উদ্দীন জানান, জমি তৈরি করা থেকে ফলন ঘরে তোলা পর্যন্ত প্রায় ৫ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদে তার খরচ হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার টাকা। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে এসব জমি থেকে প্রায় ১৮ মণ সরিষার ফলন পাবেন বলে আশা করছেন তিনি। তবে এবার বাজারদর বেশি পাওয়ার আশা করছেন অনেকেই।

একাধিক কৃষক জানান, অন্যান্য ফসলের মতো সরিষা আবাদে তেমন শ্রমের প্রয়োজন হয় না। জমি থেকে পাকা সরিষা সংগ্রহ ও মাড়াই করে ফসল ঘরে তোলার জন্য পরিবারে পুরুষের পাশাপাশি নারী, বৃদ্ধ ও শিশু সদস্যরাও নিয়মিতভাবে কাজ করেন।

উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন , অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে সরিষার ফলন ঘরে তোলা যায়। ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় চলতি মৌসুমে সরিষার ফলনও হয়েছে বেশ। সরিষার বর্তমান বাজারদর প্রায় ১৮শত টাকা।

তিনি আরো বলেন, রোদে শুকিয়ে গুদামজাত করে পরে বিক্রি করতে পারলে সরিষার বাজারদর আরও বেশি পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কিন্তু অভাবের তাড়নায় ফসল তুলার পরই বিক্রি করে দিতে হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম বলেন, চলতি বছরে ভৈরবে প্রায় ২ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে পুরো ভৈরব উপজেলায়। একটি লাভজনক ফসল হিসেবে এই সরিষার আবাদ করে থাকেন কৃষকরা। ভোজ্যতেলে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে কৃষকদের বীজ-সার প্রণোদনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিবিভাগ। ফলে বছর বছর এখানে সরিষার আবাদ বাড়ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...