1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্সের অবহেলায় মৃত সন্তান প্রসবের অভিযোগ নরসিংদীর মেঘনার তীরে ৭ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী বাউল মেলা শুরু রায়পুরায় প্রবাসবন্ধু ফোরামের কমিটি গঠন রায়পুরার হাসনাবাদ হাইলাইট একাডেমির বার্ষিক ক্রিড়া ও পুরস্কার বিতরণ নরসিংদীতে এডভোকেট জহর আহমেদ পারভেজ মাস্টারের স্মরণ সভা বেলাবতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশের সাড়ে ৩ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নওগাঁর আত্রাই গুড়নই জিপিএস অতিরিক্ত শ্রেণী কক্ষ নিমার্ণ ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন এবার “ভালবাসার রঙ লাগাইয়া” আসছে সঙ্গীতশিল্পী পারভীন লিসা সেলিম রেজা’র ওয়েব ফিল্ম ‘এক্স লাভ’

ময়মনসিংহে এবার গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ সরিষা চাষ

  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৯৮ সময়

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার কৃষিক্ষেত্রে সরিষা আবাদে ব্যাপক জোর দিয়েছেন। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ অঞ্চলে গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় দ্বিগুণ জমিতে সরিষা চাষ করছেন কৃষকরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সূত্রে জানাগেছে, গত বছর ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৬১ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হলেও এবার সেই আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ হাজার ১৮৬ হেক্টরে। আবাদকৃত জমির হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৬২.৮১ শতাংশ। ময়মনসিংহ বিভাগের ১ লক্ষ ৫৬ হাজার কৃষককে এক বিঘা জমির জন্য জনপ্রতি ১ কেজি করে সরিষা বীজ এবং ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।
এরমধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৪৭ হাজার ৪০০ জন, জামালপুরে ৫৪ হাজার ৬০০ জন, নেত্রকোনায় ২৫ হাজার ২০০ জন এবং শেরপুর জেলায় ২৮ হাজার ৮০০ জন কৃষকের মধ্যে এসব প্রণোদনা দেওয়া হয়। তারমধ্যে বারি ১৪, বিনা-৪, ১৫ ও ১৭ জাতের সরিষার বীজ রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালক সালমা আক্তার বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার কৃষিক্ষেত্রে সরিষা আবাদে ব্যাপক জোর দিয়েছেন। সরকার আগামী তিন বছরের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন যাতে ৪০ শতাংশ তেল আমদানি নির্ভরতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা ছয় মাস ধরে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করি।
এছাড়া যে সমস্ত জায়গা অনাবাদি আছে সে সমস্ত জমিতে সরিষা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছি।

তিনি আরো বলেন, মানুষ এখন সয়াবিন তেল ছেড়ে সরিষা তেলের দিকে ঝুঁকছে। এ কারণে সরিষা তেলের চাহিদাও বেড়েছে।

ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে,আমন ধান কাটার পর প্রতি বিঘা জমিতে এক থেকে দুই কেজি সরিষা ছিটিয়ে দিতে হয়। ওই জমিতেই বেড়ে উঠতে থাকে সরিষা গাছ। বাড়তি পরিশ্রম ছাড়াই কৃষক ৬০ থেকে ৭০ দিনে এ সরিষা সংগ্রহ করতে পারেন। ভালো বীজ হলে এক বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১৫ মণ সরিষা হয়ে থাকে। সরিষা সংগ্রহ শেষে ঐ জমিতেই কৃষকরা বোরো ধান চাষ করে থাকেন। ফলে কৃষকরা জমিতে দুই ফসলি থেকে তিন ফসলি কৃষিকাজ করছে ও লাভবান হচ্ছে। এবার স্থানীয় জাত ছাড়াও বিনা ও বারী জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে বলে জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...
© All rights reserved © 2013 alokitokhobor.com
Theme Customized By Khan IT Host