সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে চুরি যাওয়া নবজাতক উদ্ধার রায়পুরায় সরকারী উদ্যোগে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন নরসিংদীর আলোকবালীতে ইমামদের মধ্যে নগদ অর্থ বিলি করলেন আব্দুল কাইয়ুম সরকার নরসিংদীর পলাশে ৬৫ জন অসহায় ও প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ ঈদের আগেই দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের অনুমতি দাবি; আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ব্যক্তিগত উদ্যেগে রায়পুরায় ২৪টি ইউনিয়নে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে স্বপ্নডানা’র ঈদ উপহার বিতরণ মহামারি করোনা থেকে মানবজাতির মুক্তি চেয়ে জুমাতুল বিদায়ে বিশেষ মোনাজাত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নতুন পাসপোর্ট এক-দুই দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে

সিলেট বিভাগে বেড়ে চলেছে ডেঙ্গু রোগী

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯

আলোকিত খবর অনলাইন ডেস্ক : এই সময়ে দেশেজুড়ে আতঙ্কের নাম ডেঙ্গু জ¦র। দেশের ৫০টির বেশি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। গত পাঁচদিনে সিলেটের চার জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িযেছে ৬২ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪০ জনে। এর মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি রয়েছেন ৩৯ জন। আর বেসরকারি হাসপাতালে একজন। এর মধ্যে ৪ জন নারী ও এক শিশু রয়েছেন। যারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আবদুল খালিক নামের এক চিকিৎসকও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. দেবপদ রায় এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য জানান। তারা জানান, ডেঙ্গু আক্রান্তদের অধিকাংশই কোনো না কোনোভাবে ঢাকায় গিয়ে আক্রান্ত হয়ে সিলেটে এসেছেন। আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতালে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার খোলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার পর্যন্ত আক্রান্ত রোগী ৩৯ জনের মধ্যে ৯ জন চিকিৎসা নিয়ে গেছেন। ভর্তি আছেন ৩০ জন। তবে ঈদে ঢাকা থেকে সিলেটে বেড়াতে আসা লোকজনের কারণে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেটের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. দেবপদ রায় বলেন, সিলেটে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার বিস্তার না থাকলেও ঝুঁকিমুক্ত নয়। কেননা ঈদের সময় ঢাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা ছুটি কাটাতে ও বিপুল সংখ্যক পর্যটক বেড়াতে সিলেটে আসবেন। তাদের মধ্যে সংখ্যায় দু-একজনও ডেঙ্গু আক্রান্ত থাকতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের এডিস মশা কামড় দিলে জীবাণী বহন করে অন্য কোনো মানুষকে কামড়ালে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। এই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার নয়। তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ¦রের বাহক এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে বংশ বিস্তার করে। তাই আমরা চিকিৎসার পাশাপাশি এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধেও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছি, যাতে এ রোগ ছড়াতে না পারে। প্রত্যেক মানুষকে সচেতন হতে হবে, বাসা বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যেসব স্থানে এডিস মশা জন্মে, সেসব স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। তাই মশার জীবাণু ধ্বংসে সিসিক উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে নগরবাসীকে নিজেদের বাসা-বাড়ির আশপাশ, ফ্রিজে, টবে, ছাদে যেখানে স্বচ্ছ পানি জমতে পারে, সেসব স্থান পরিষ্কারে সচেতন হতে হবে। সিলেটের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. নূরে আলম শামীম বলেন, সরকার নির্ধারিত পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সে অনুযায়ী টেস্ট করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাইভেট ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোও যাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করতে পারে সে ব্যাপারে আমাদের নজরদারি রয়েছে।

একে/৩১জুলাই১৯/এম খান

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..