সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে চুরি যাওয়া নবজাতক উদ্ধার রায়পুরায় সরকারী উদ্যোগে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন নরসিংদীর আলোকবালীতে ইমামদের মধ্যে নগদ অর্থ বিলি করলেন আব্দুল কাইয়ুম সরকার নরসিংদীর পলাশে ৬৫ জন অসহায় ও প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ ঈদের আগেই দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের অনুমতি দাবি; আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ব্যক্তিগত উদ্যেগে রায়পুরায় ২৪টি ইউনিয়নে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে স্বপ্নডানা’র ঈদ উপহার বিতরণ মহামারি করোনা থেকে মানবজাতির মুক্তি চেয়ে জুমাতুল বিদায়ে বিশেষ মোনাজাত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নতুন পাসপোর্ট এক-দুই দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন করবে সরকার

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধনের ব্যবস্থা নিচ্ছে অর্থাৎ তদন্তের আগে গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে। এ আইনে কোন অপরাধের অভিযোগ এলে আগে পুলিশের তদন্ত হবে। তদন্তের ওপর ভিত্তি করে মামলা কিংবা গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার থাকা লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর পর এই আইনটি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের মধ্যে সোমবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসি বাংলাকে একথা জানিয়েছেন।

এ আইনে করা এক মামলায় নয় মাস ধরে আটক থাকা লেখক মুশতাক আহমেদ সম্প্রতি কারাগারে মারা যান। ছয় বার আবেদন করেও তার জামিন মেলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিবিসিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, তদন্তের আগে মামলা নেওয়া বা কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না, এমন ব্যবস্থা তারা নিচ্ছেন। আমরা বলেছি যে, সরাসরি মামলা নেওয়া হবে না। কোন অভিযোগ এলে পুলিশ প্রথমে তদন্ত করে দেখবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে তারপরে মামলা নেওয়া হবে।

এ আইনে জামিন হওয়া না হওয়ার প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, সাজা যতটা হলে জামিন হবে এবং যতটা হলে জামিন হবে না- ঠিক সেই প্রিন্সিপালটা ফলো করে আমরা বিধান করেছি। সারা পৃথিবীতেই এটা করা হয়। এমনকি এই উপমহাদেশেও। বিষয়টা নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করছি।

আইনটির অপপ্রয়োগের অভিযোগ বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, সব আইনই যখন করা হয়, তখন কিন্তু একটা ট্রায়াল অ্যান্ড এরর বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। কথা হচ্ছে, এখানে যদি কিছু অ্যাবিউজ এবং মিসইউজ হয়, সেটা কি করে বন্ধ করা হবে- সে ব্যাপারে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সঙ্গেও আইনটি নিয়ে আলোচনা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের আমি আলাপ চালাচ্ছি। সারা বিশ্বের সঙ্গে আমরা এটার তুলনা করছি। মিসইউজ যেগুলি ধরা পড়ছে বা অ্যাবিউজ যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর জন্য একটা চেক অ্যাণ্ড ব্যালেন্স সিস্টেম কীভাবে ডেভেলপ করা যায়, এই আইনের মধ্যেই কীভাবে সেটা থাকতে পারে-সেই ব্যবস্থা আমরা করছি। এসব ব্যবস্থা নিতে আইনের সংশোধনের প্রয়োজন নাও হতে পারে এবং বিধির মাধ্যমে সেটা করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নানা বিতর্কের মধ্যে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে। এ আইন নিয়ে শুরু থেকেই গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার কর্মীরা আপত্তি করেছিলেন। আইনের অপপ্রয়োগ নিয়েও তাদের উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।

তাদের উদ্বেগের মূল বিষয় হচ্ছে, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, গুজব রটনা বা সরকারের সমালোচনা করা- এমন সব অভিযোগে মামলা হলেই আটক করে রাখা হয় এবং আইনের অপপ্রয়োগ করা হয়।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..