সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে চুরি যাওয়া নবজাতক উদ্ধার রায়পুরায় সরকারী উদ্যোগে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন নরসিংদীর আলোকবালীতে ইমামদের মধ্যে নগদ অর্থ বিলি করলেন আব্দুল কাইয়ুম সরকার নরসিংদীর পলাশে ৬৫ জন অসহায় ও প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ ঈদের আগেই দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের অনুমতি দাবি; আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ব্যক্তিগত উদ্যেগে রায়পুরায় ২৪টি ইউনিয়নে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে স্বপ্নডানা’র ঈদ উপহার বিতরণ মহামারি করোনা থেকে মানবজাতির মুক্তি চেয়ে জুমাতুল বিদায়ে বিশেষ মোনাজাত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নতুন পাসপোর্ট এক-দুই দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে

তরুণদের সাংবাদিকতায় উৎসাহী করতে জয়ের বই

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১

রাবি প্রতিনিধি

তরুণ ও শিক্ষানবিশদের ইংরেজী রিপোর্টিংয়ে আগ্রহী করতে ও কোন স্টোরি কিভাবে সাজাবেন, সে সব বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে, দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম জয়ের বই বাজারে এসেছে। বইটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে লিখা হলেও দেশে করোনার  প্রকোপের কারণে বাজারে এসেছে একই বছরের ডিসেম্বর মাসে। বইটি নাম হচ্ছে ‘A Glimpse to Campus Reporting’।  এবং এটি ইতিমধ্যে, শিক্ষানবিশ ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছেন জয় পাবলিকেশন ।

মূলত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা যারা ইংরেজি দৈনিক সমূহে নিয়মিত রিপোর্ট করতে চায় তাদের রিপোটিং তৈরীর গাইডলাইন হিসেবে এই বইটি লেখা হয়েছে।

‘জয় পাবলিকেশন’ এর প্রকাশিত বইটি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নরসিংদী জেলা সহ বেশ কিছু জায়গায় বইটি পাওয়া যাচ্ছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর, সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে বলে জানিয়েছেন পাবলিকেশনটি।

নিজের লেখা প্রথম প্রকাশিত বই বের হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে করে সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম জয় বলেন, ‘দীর্ঘ পরিকল্পনায় বইটি প্রকাশিত হয়েছে এবং পাঠকরা হতে পেয়েছে, এটাই আমার সবচেয়ে আনন্দের। মূলত অনুজ সাংবাদিকদের জন্য বইটি লেখা। আগামী দিনেও আরো কিছু বই লেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বইটি লিখার ক্ষেত্রে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড একরাম হোসেন সহ ৩ জন শিক্ষক সহযোগিতা করেছেন এবং তাদের তত্ত্বাবধানে বইটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,  ‘প্রথমে ইংরেজি দৈনিকে লিখতে গিয়ে অনেক জটিল সমস্যায় পড়েছি। আমি চাই জুনিয়ররা আমার মতো একই সমস্যায় না পড়ুক। মূলত তাদের কথা চিন্তা করে বইটি লিখেছি’। যদি বইটি পড়ে তারা উপকৃত হয়, তাহলে আমার লিখে সার্থক হবে’।

রাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মেশকাত মিশু বলেন, ‘বইটি অনুসরণ করায় রিপোর্টিং করার ক্ষেত্রে অনেকটা উপকৃত হয়েছি। তবে, আমাদের মাতৃভাষা ইংরেজি না হওয়ার, তার পাশাপাশি বাংলায় অনুবাদ করা থাকলে আমাদের জন্য আরও ভালো হতো’।

যুগান্তর পত্রিকার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সবুজ বলেন, ‘ইংরেজি রিপোর্টিং করার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থী আগ্রহবোধ করেন না। কারণ তার মেটেরিয়াল পর্যাপ্ত পরিমানে থাকে না। ফলে রিপোর্ট করতে অনেক সমস্যা হয়। জয়ের বইটি সংগ্রহ করে কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে দিয়েছি। তারাও বইটি পড়েছে, ইংরেজি রিপোর্টিংয়ে এখন তারা বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে’।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার প্রতিনিধি প্লাবন তারিক বলেন, ‘ বইটি অনেক চমৎকার লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন সাংবাদিকদের জন্য অনেকটা সহায়ক হবে এবং এটি অনেক তথ্য বহুল’।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সায়েদ আব্দুল্লাহ যীশু বলেন, ‘বইটি আমি পড়েছি। বইটিতে শব্দ গুলো কঠিনও ব্যবহার করা হয় নি, আবার খুব সহজও ব্যবহারও করা হয় নি। একটি ব্যালেন্স করে শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে।  বইটি খুবই চমৎকার হয়েছে’।

রাবির আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শিবলি ইসলাম বলেন, ‘বইটির একটি কপি পেয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে জয়ের ‘A Glimpse to Campus Reporting বইটি প্রগতিশীল সাংবাদিক চর্চার একটি ফসল। রিপোর্ট গুলো অনেক তথ্যভিত্তিক। এটি ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত একটি ডকুমেন্টারিও বলা যেতে পারে’।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..