সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর আমদিয়ায় নৌকা প্রতীকে মিঠু চেয়ারম‍্যান নির্বাচিত নির্বাচিত নরসিংদীর চিনিশপুর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী তুহিন’র জয় রায়পুরায় বিউটি পার্লারের ভিতর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ,স্বামী আটক নরসিংদীর ১৪ টিতে নৌকা এবং ৮টি স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় নরসিংদীতে ইউপি নির্বাচনে সহিংস ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩২ জন সকালেই নরসিংদীর দুই উপজেলার ২২ ইউপিতে ভোট গ্রহণ, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন রায়পুরায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জামাল মোল্লার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা উত্তরবাখরনগরে নৌকার মাঝি হাবিবুল্লাহর উঠান বৈঠকে মানুষের উপস্থিতি লক্ষনীয় নরসিংদীর চিনিশপুরের ৩নং ওয়ার্ডে তাল মার্কার সায়েম ভূঁইয়া জনমত জড়িপে এগিয়ে নরসিংদীতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে চিকিৎসার দাবিতে স্মারক লিপি প্রদান

আদালতের নির্দেশে শ্রীপুরে এক যুগ পর স্বপদে ফিরলেন কলেজ অধ্যক্ষ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

গাজীপুর প্রতিনিধি

জোরপূর্বক কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার পর দীর্ঘ আইনী লড়াই শেষে আদালতের নির্দেশে স্বপদে বহাল হলেন গাজীপুরের শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী কলেজের অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ৫ম সিনিয়র জজ আদালত স্বপদে বহাল হওয়ার আদেশ দিলে ১৬ অক্টোবর কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদানের আবেদন জমা দেন।

অধ্যক্ষের আইনজীবি এ.এ. এম আমানুল্লাহ ফরিদ আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আখন্দকে ২০০৯ সালে সন্ত্রাসী কায়দায় সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে জোড়পূর্বক কলেজ থেকে বের করে দেয়  তৎকালীন পরিচালনা পরিষদ। পরে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ও পরিচালনা পরিষদকে ব্যবহার করে নুুরুন্নবী আকন্দ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন।

এদিকে অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ কলেজে প্রবেশ করতে না পেরে গাজীপুর আদালতে দেওয়ানী মোকাদ্দমা ২৩০/২০১০ দায়ের করেন। দীর্ঘদিন শুনানী শেষে অধ্যক্ষকে স্বপদে বহাল মর্মে আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। ফলে কলেজে ফিরে এসে তার দায়িত্বপালনে আর কোন বাধা থাকল না।

শ্রীপুর রহমত আলী কলেজের অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ বলেন, ‘২০০৫ সালে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ লাভ করে দায়িত্বরত ছিলাম। সরকার পরিবর্তনের পর ২০০৯ সালে কলেজের পরিচালনা পরিষদের এক সভা চলাকালীন সময়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জোড় করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আমাকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তারা রেজুলেশন তৈরী করে তৎকালীন এমপির মদদ পুষ্ট নুরুন্নবী আকন্দকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়। একজন শিক্ষক হিসেবে এটা আমার কাছে ছিল চরম অপমানকর। তাই এ অন্যায় আমি মেনে নিতে পারিনি। আমি আমার অধিকার ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ছিলাম। চালিয়েছেন আইনী লড়াই।

কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ মামলার আদেশের কপিসহ যোগদানের অনুমতি চেয়েছেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..