সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীর সূর্যমুখী ফুলের বাগানে ভীড় করছে শত শত ফুলপ্রেমী দর্শনার্থী নরসিংদীতে ইটভাটায় মাটি সরবরাহে নদীপাড়ের ফসলি জমিগুলোতে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব আত্রাইয়ের গ্রামগুলোতে কুমড়ো বড়ি তৈরির ধুম ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ লাখ ৪১ হাজার জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে; সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে ৯2–ব্যাচ বন্ধুদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রায়পুরা উপজেলা প্রতিবন্ধী ফোরামের উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ রায়পুরায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদানের চেক পেলেন দরিদ্র নেতা-কর্মীরা রায়পুরার পিরিজকান্দি শামসুল উলমু নূরানীর মাদ্রাসার ১ম ইসলামী সম্মেলন সাংবাদিক নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের দোয়া ও মিলাদ করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধের ঘোষণা

মাদরাসা অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২
লিখিত প্রতিবাদ লিপিপাঠ করছেন মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার ছেলে মো. সাইফুল্লাহ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, নরসিংদী:

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার অধ্যক্ষ এবিএম গাজিউর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এই সকল অভিযোগের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানান মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার ছেলে মো. সাইফুল্লাহ খান।
বুধবার (০৪জানুয়ারী২২) উপজেলার চরসুবুদ্ধি ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার মূল ফটকের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের এসব কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাইফুল্লাহ খান বলেন, অধ্যক্ষ গাজিউর টাকার বিনিময়ে লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়া এবং একই পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। এ বিষয়ের ফোন আলাপের একটি অডিও রের্কডও রয়েছে। নতুন পাঠ্যবই কেজি ধরে বিক্রি ও ফরম ফিলাপের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। নতুন ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের আগে তৈরি করেন ভুয়া ভোটার। পরে সকল পদে অধ্যক্ষ তার পছন্দের একক প্রার্থী করে বিনা নির্বাচনে কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে টাকা বিনিময়ে দাতা সদস্য ও বিদ্যোৎসাহী করার অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

সাইফুল্লাহ খান বলেন, ২০১৪-১৭ সালের পুরনো কমিটিতে তার বড় ভাই ফয়জুল্লাহ খানের স্বাক্ষর জাল করে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বানানো হয়। একই কমিটিতে সহকারী লাইব্রেরিয়ান সাখাওয়াত খানকে শিক্ষক প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যয়নরত কোন সন্তান নেই এমন এক ব্যক্তিকে নিময়বহির্ভূত ভাবে করা হয় কমিটির অভিভাবক সদস্য। এই সবই অধ্যক্ষ গাজিউর তার স্বার্থ রক্ষায় করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনের বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ গাজিউর রহমানের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত চরসুবুদ্ধি ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসাটি শিক্ষার দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। দাখিল পর্যন্ত ক্লাশ হলেও ফাজিলে নেই তেমন শিক্ষার্থী। এতে মাদরাসাটি কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন করতে পারছেনা। এ ব্যাপারে গত বছরের ১৪ নভেম্বর নরসিংদী জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও প্রতিকার মেলেনি। অধ্যক্ষ গাজিউর রহমানের অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মো. সাইফুল্লাহ খান।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ গাজিউর রহমান সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন। সেইসাথে প্রতিবেদককে খরচ দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং একই সাথে রিপোর্টটি না করার জন্য অনুরোধ করেন।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..