নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদী জেলা প্রশাসন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীর মায়েদের কে নিয়ে বিশ্ব মা দিবসটি বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আজ ১০ মে অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জসিম উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে এই দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলংকৃত করেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিক্লপনা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ডা: মো: আবু কাউছার সুমন।

তিনি বলেন আধুনিক বিশ্বে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারটিকে ‘মা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই দিবসটি পালিত হয়। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে সবাই পালন করে দিবসটি। বিশেষ করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মায়েরা প্রতিদিন কঠিন সংগ্রাম করে, সন্তান কে লালন পালন করে আসছে। এর বর্নর্ণা দেওয়া মত ভাষা আমার নেই, সাথে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ সকলের ভূমিকা খুবই প্রশংসার দাবিদার। আপনাদের অসীম ভালোবাসা, স্নেহ ও স্পর্শেই সন্তান ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠে। সন্তান যাতে ভালোভাবে বড় হতে পারে, মানুষের মতো মানুষ হতে পারে এ ধ্যানে ‘মা’ সবসময়ই মগ্ন থাকেন।

মাকে ভালোবাসার জন্য আলাদা করে কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না। তবুও বিশ্বব্যাপী মায়ের জন্য রাখা হয়েছে একটি বিশেষ দিন, যেন এই দিনটিতে সকলে মিলে আনুষ্ঠানিক শিশুরা মায়েদেরকে ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে। তাইতো মায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে কবি কাজী কাদের নেওয়াজ বলেছেন, ‘মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই, তার চেয়ে অধিক মধুর ত্রিভূবনে নাই।’

১৯০৮ সালে আন্না জার্ভিস নামে এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করে ছিলেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের মায়ের স্মৃতি রূপে এই বিশেষ দিনটি উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। বিশেষ দিনটি বিশ্বজুড়ে মাতৃত্ব ও মাতৃসত্তার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য স্মরণ করিয়ে দেয়। আমাদের আবারও একবার স্মরণ করিয়ে দেয় পৃথিবীতে আমাদের পদচারণার মূল কাণ্ডারীকে।

সন্তানের জন্য সব থেকে বেশি যে আত্মত্যাগ করতে পারে সেই নামটিই হলো মা। এই দুনিয়াতে নিঃস্বার্থভাবে শুধু মা আমাদের ভালোবাসতে পারেন।