ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে বিশ্বশান্তি কুঠির প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
আলোকিত খবর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বশান্তি কুঠিরের উপাসক-উপাসিকা পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বেইলি রোডস্থ মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘পার্বত্য কমপ্লেক্স’-এ এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পরিতোষ চাকমার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় বিশ্বশান্তি কুঠিরের পরিচালনা কমিটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে তারা মন্ত্রীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং পার্বত্য অঞ্চলের ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে তার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

আলোচনাকালে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বিশ্বশান্তি কুঠিরের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অনুসারীদের ধর্মীয় চর্চা ও কল্যাণে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যকর ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান প্রতিনিধি দলের কথা ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

বিশ্বশান্তি কুঠিরের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক পরিতোষ চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বশান্তি কুঠির আজকের এই পর্যায়ে আসার পেছনে অনেকের নিঃস্বার্থ অবদান রয়েছে। যারা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কায়িক শ্রম, আর্থিক অনুদান এবং মানসিক সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি উপাসক-উপাসিকা পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

সাক্ষাৎকার শেষে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত সকলে করজোড়ে ভগবান বুদ্ধের চরণে বিশেষ প্রার্থনায় মিলিত হন। “জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক” এবং “সকলে যেন নির্বাণ সম্পত্তি লাভ করতে পারে”— এই মৈত্রী কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধন অটুট রাখতে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে বিশ্বশান্তি কুঠির প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বশান্তি কুঠিরের উপাসক-উপাসিকা পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বেইলি রোডস্থ মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘পার্বত্য কমপ্লেক্স’-এ এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পরিতোষ চাকমার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় বিশ্বশান্তি কুঠিরের পরিচালনা কমিটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে তারা মন্ত্রীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং পার্বত্য অঞ্চলের ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে তার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

আলোচনাকালে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বিশ্বশান্তি কুঠিরের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অনুসারীদের ধর্মীয় চর্চা ও কল্যাণে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যকর ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান প্রতিনিধি দলের কথা ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

বিশ্বশান্তি কুঠিরের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক পরিতোষ চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বশান্তি কুঠির আজকের এই পর্যায়ে আসার পেছনে অনেকের নিঃস্বার্থ অবদান রয়েছে। যারা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কায়িক শ্রম, আর্থিক অনুদান এবং মানসিক সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি উপাসক-উপাসিকা পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

সাক্ষাৎকার শেষে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত সকলে করজোড়ে ভগবান বুদ্ধের চরণে বিশেষ প্রার্থনায় মিলিত হন। “জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক” এবং “সকলে যেন নির্বাণ সম্পত্তি লাভ করতে পারে”— এই মৈত্রী কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধন অটুট রাখতে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।