ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাহিত্যাঙ্গণে অবদানের স্বীকৃতি, মিজাফ স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন নীলিমা নীলা মিজাফ স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ অর্জন করলেন কণ্ঠশিল্পী শান্তা আমিন নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না: রবি বেলাবোতে বীর বাগবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দেওয়ানের চর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মরহুম নূরুল মিল্লাত এঁর স্মরণে দোয়া মাহফিল নৃত্যের ছন্দে এগিয়ে চলা সাইবা ইসলামের স্বপ্নযাত্রা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ট্রাইব্যুনালের ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
আলোকিত খবর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আলোকিত খবর ডেস্ক:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেছেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে বলবো, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে। সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া হোক।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একটি দল প্রচারণা শুরুই করেছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। যেখানে মাইক ও সাউন্ডবক্স ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া আছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। অথচ তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রাত আটটার পরও নির্বাচনি প্রচারণ চালাচ্ছেন। অথচ কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে আমাদের কমিশন সম্পর্কে যে ধারণা— পক্ষপাত্বি করা, সেটাই তারা করে যাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কেন্দ্রের বাইরে রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সিভিল এডমিনিস্ট্রেশনের ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। অথচ ৫ আগস্টের পরেই সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি দেওয়া আছে। নির্বাচন কমিশনকে এই বিধি পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।

প্রচারণায় অসম প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কালার পোস্টার, রাতভর মাইকিং দেখছি। এতে অন্যরা পিছিয়ে পড়ছে। বরং যারা আচরণবিধি মানছে তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণমাধ্যম একটি দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। আমরা এর আগেও দেখেছি মিডিয়ার দলীয়করণ হয়েছে। এর ফলাফল কী হয় সেটাও দেখেছি। সরাসরি মিডিয়ার দায়িত্বে থেকেও একটা পার্টির পক্ষে কেউ কেউ প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি, যারা মিডিয়াতে কাজ করেন তারা সব দলের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবেন। তারা যদি তা না করেন তবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আলোকিত খবর ডেস্ক:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেছেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে বলবো, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে। সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া হোক।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একটি দল প্রচারণা শুরুই করেছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। যেখানে মাইক ও সাউন্ডবক্স ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া আছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। অথচ তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রাত আটটার পরও নির্বাচনি প্রচারণ চালাচ্ছেন। অথচ কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে আমাদের কমিশন সম্পর্কে যে ধারণা— পক্ষপাত্বি করা, সেটাই তারা করে যাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কেন্দ্রের বাইরে রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সিভিল এডমিনিস্ট্রেশনের ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। অথচ ৫ আগস্টের পরেই সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি দেওয়া আছে। নির্বাচন কমিশনকে এই বিধি পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।

প্রচারণায় অসম প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কালার পোস্টার, রাতভর মাইকিং দেখছি। এতে অন্যরা পিছিয়ে পড়ছে। বরং যারা আচরণবিধি মানছে তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণমাধ্যম একটি দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। আমরা এর আগেও দেখেছি মিডিয়ার দলীয়করণ হয়েছে। এর ফলাফল কী হয় সেটাও দেখেছি। সরাসরি মিডিয়ার দায়িত্বে থেকেও একটা পার্টির পক্ষে কেউ কেউ প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি, যারা মিডিয়াতে কাজ করেন তারা সব দলের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবেন। তারা যদি তা না করেন তবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।