অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন মা ও মেয়ে
- আপডেট সময় : ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী প্রতিনিধি
অদম্য নারী পুরস্কার সম্মাননা ২০২৫ পেলেন একই পরিবারের মা ও মেয়ে। তারা হলেন নরসিংদী জেলায় অদম্য নারী পুরস্কার ভূষিত হয়েছেন মেয়ে তানজিনা আক্তার নীলা শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে অবদান এবং সফল জননী হিসেবে বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন তার মা নাছরিন আক্তার ( কিশোরগঞ্জ- ভৈরব)
সোমবার (২ মার্চ) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ঢাকা বিভাগীয় অদম্য নারী ২০২৫ পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব গাজী গোলাম তৌসিফ।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ রেজাউল করিম মল্রিক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ( অতিরিক্ত সচিব)জিনাত আরা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ( উন্নয়ন) সালমা আক্তার ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক রেজিনা আরজু লাভলী। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে ১৩টি জেলার ৫৭ জন অদম্য নারী এ পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ সফল জননী হলেন নার্গিস আক্তার। তানজিনা আক্তার নীলা গৌকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
নরসিংদী জেলার ৫ টি ক্যাটাগরীর ৫ জন হলেন, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী সেবায় – খালেদা পারভীন (আমীরগঞ্জ- রায়পুরা) অর্থনৈনিক ভাবে সাফল্য অর্জন কারী নারী অবদান সুমাইয়া আক্তার (লেবুতলা- মনোহরদী), শিক্ষা ও চাকরি সাফল্য অর্জন কারী তানজিনা আক্তার নীলা (রাধানগর- রায়পুরা), নির্যাতনের দু:স্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামী নারী, শংকরী রানী সূত্র ধর (নরসিংদী পৌরসভা) ও সফল জননী নারী জোস্না বেগম (বাঁশগাড়ি – রায়পুরা)।
বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, নারীদের অবদান আমরা কখনও অস্বীকার করতে পারবো না।
উল্লেখ্য যে খালেদা পারভীন আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের পরপর তিনবার ও রায়পুরা উপজেলা পরিষদের পরপর দুইবার সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোরশেদ আলম এর সহধর্মিণী ও রায়পুরা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি নয়াদিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিক এস এম শরীফ মিয়ার মা। তিনি একজন সেবার ফেরিওয়ালা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ব্র্যাকের স্বাস্থ্য সেবিকা হিসেবে মানুষের সেবা সহ বিনামূল্যে কয়েকশত মহিলাকে সেলাই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলেছেন।
অনুষ্ঠান শেষে রায়পুরার পরিচয় শোনে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আপনাদের রায়পুরার টেটা যুদ্ধ থামানোর জন্য কাজ করুন। খুনাখুনি হয় এসব বন্ধ করতে হবে।











