ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ এর মোড়ক উন্মোচন মনোহরদীর নারী উদ্যোক্তা সুমাইয়া আক্তার পেলেন অদম্য নারী পুরস্কার নরসিংদীতে মহাসড়কের অধিগ্রহণের অর্থ না পাওয়ার অভিযোগতুলে প্রকৌশলীর ওপর হামলা মৌসুমি লাইফস্টাইল মার্টের নতুন আউটলেট উদ্বোধন করলেন নুসরাত ফারিয়া পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে জন্মদিন কাটালেন আদ্রিকা এ্যানী ঈদে মুক্তি পাচ্ছে মজুমদার ফিল্মস এর “ভালোবাসি তোমায়” কুলিয়ারচরে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার, আটক ২ নরসিংদীতে দেড়শত প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন মা ও মেয়ে আমীরগঞ্জ ইউপি সদস্য খালেদা পারভীন পেলেন বিভাগীয় অদম্য নারী পুরস্কার

চ্যালেঞ্জ ভেঙে নতুন পথে এক তরুণের অনুপ্রেরণার গল্প

বাংলাদেশি ফ্যাশনে কাশ্মীরি মডেলের পদচারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আলোকিত খবর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার:

সামাজিক কলঙ্ক, শারীরিক জটিলতা ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা- সব বাধা পেরিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন এক কাশ্মীরি তরুণ।
যিনি আজ বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতে নতুন এক নাম হিসেবে উঠে এসেছেন। তার গল্প এখন অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।
একসময় তার ওজন ছিল ৯৫ কেজি। শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও তিনি হাল ছাড়েননি।

অদম্য আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত অনুশীলন ও দৃঢ় মানসিকতার মাধ্যমে তিনি ২৬ কেজি ওজন কমিয়ে এনে ফেলেছেন নিজের কাঙ্ক্ষিত ফিটনেস।

শরীরের পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্টে গেছে তার আত্মবিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনের লক্ষ্যও।
বর্তমানে তিনি একজন এমবিবিএস শিক্ষার্থী। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে শুরু করেছিলেন মডেলিং, শুরুটা ছিল বেশ কঠিন।

পরিবার ও সমাজের নানা প্রশ্ন, সমালোচনা এবং সংশয় তাকে থামাতে পারেনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে কাজ করতে করতে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এক পেশাদার মডেল হিসেবে।

আজ তিনি কাজ করছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ৫০টির বেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে।

বাংলাদেশের Sailor, Yellow, Twelve, PRAN, Vivo, Prem Collection, Fit Elegance, La Reve-এই সব পরিচিত ব্র্যান্ডে তার উপস্থিতি ইতোমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে।

একই সঙ্গে ভারতের বেশ কিছু ফ্যাশন ডিজাইনার ও পোশাক ব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছেন তিনি, যেখানেও কাশ্মীরি ঐতিহ্য ও আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটাচ্ছেন।

তবে তার যাত্রার সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক শুধু সাফল্য নয়- মানবিকতা।

মডেলিং থেকে অর্জিত আয়ের বড় একটি অংশ তিনি ব্যয় করেন সামাজিক ও মানবিক কাজে।

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করাকেই নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি।
তিনি প্রমাণ করেছেন -“ইচ্ছা, অধ্যবসায় আর ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে সমাজের শৃঙ্খল ভাঙা যায়।”
চ্যালেঞ্জ, সমালোচনা ও প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এক নতুন দৃষ্টান্ত।

নিজের বিশ্বাস ও মূল্যবোধে অটল থেকে তৈরি করেছেন এমন এক উদাহরণ, যা নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে, নিজেকে বদলাতে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চ্যালেঞ্জ ভেঙে নতুন পথে এক তরুণের অনুপ্রেরণার গল্প

বাংলাদেশি ফ্যাশনে কাশ্মীরি মডেলের পদচারণা

আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

সামাজিক কলঙ্ক, শারীরিক জটিলতা ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা- সব বাধা পেরিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন এক কাশ্মীরি তরুণ।
যিনি আজ বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতে নতুন এক নাম হিসেবে উঠে এসেছেন। তার গল্প এখন অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।
একসময় তার ওজন ছিল ৯৫ কেজি। শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও তিনি হাল ছাড়েননি।

অদম্য আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত অনুশীলন ও দৃঢ় মানসিকতার মাধ্যমে তিনি ২৬ কেজি ওজন কমিয়ে এনে ফেলেছেন নিজের কাঙ্ক্ষিত ফিটনেস।

শরীরের পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্টে গেছে তার আত্মবিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনের লক্ষ্যও।
বর্তমানে তিনি একজন এমবিবিএস শিক্ষার্থী। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে শুরু করেছিলেন মডেলিং, শুরুটা ছিল বেশ কঠিন।

পরিবার ও সমাজের নানা প্রশ্ন, সমালোচনা এবং সংশয় তাকে থামাতে পারেনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে কাজ করতে করতে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এক পেশাদার মডেল হিসেবে।

আজ তিনি কাজ করছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ৫০টির বেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে।

বাংলাদেশের Sailor, Yellow, Twelve, PRAN, Vivo, Prem Collection, Fit Elegance, La Reve-এই সব পরিচিত ব্র্যান্ডে তার উপস্থিতি ইতোমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে।

একই সঙ্গে ভারতের বেশ কিছু ফ্যাশন ডিজাইনার ও পোশাক ব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছেন তিনি, যেখানেও কাশ্মীরি ঐতিহ্য ও আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটাচ্ছেন।

তবে তার যাত্রার সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক শুধু সাফল্য নয়- মানবিকতা।

মডেলিং থেকে অর্জিত আয়ের বড় একটি অংশ তিনি ব্যয় করেন সামাজিক ও মানবিক কাজে।

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করাকেই নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি।
তিনি প্রমাণ করেছেন -“ইচ্ছা, অধ্যবসায় আর ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে সমাজের শৃঙ্খল ভাঙা যায়।”
চ্যালেঞ্জ, সমালোচনা ও প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এক নতুন দৃষ্টান্ত।

নিজের বিশ্বাস ও মূল্যবোধে অটল থেকে তৈরি করেছেন এমন এক উদাহরণ, যা নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে, নিজেকে বদলাতে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করে।