নরসিংদীতে পোশাক কারখানায় হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০১:১২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী প্রতিনিধি :
নরসিংদীর মাধবদীতে ওয়াকফি নিট ফেব্রিক্স প্রাইভেট লি: নামে একটি নির্মানাধীন পোশাক কারখানায় হামলা, লুটপাট, চাঁদাবাজি, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মারধরের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে নরসিংদী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন কারখানা কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক মো: জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, নরসিংদীর মাধবদী থানার কান্দাপাড়া এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে শতভাগ রপ্তানীমুখী পোশাক কারখানাটি। নির্মাণাধীন এই কারখানাটিতে স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ বেশ কয়েকদিন ধরেই ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ১৪ এপ্রিল দুপুরে এলাকার বিহ্নত চাঁদাবাজ কামরুল হক রোমানের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জনের একটি দল নির্মাণাধীন কারখানাটিতে হামলা-ভাংচুর চালিয়ে ব্যাপক লুটপাট করে। এসময় কারখানায় কর্মরত প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার, সিকিউরিটি ইনচার্জসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করে সাইড অফিসে রক্ষিত সাড়ে ৭ লাখ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও মিলছে না প্রতিকার। এরপর হতে কারখানা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত হামলার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান কারখানা কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ কামরুল হক রোমান জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে কেন এসব অভিযোগ করা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। ঘটনার দিন কারখানায় ১০০ লিটার তেল মজুদ করা হয়েছে এমন খবরে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে গন্ডগোল হয়। খবর পেয়ে আমি থামাতে গিয়ে দুই গ্রুপের লোকজনকে চড়থাপ্পড় দেই। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিগত দিনে আমি কারখানাটির দেখাশোনা করেছি, সে হিসেবে তাদের সাথে সু-সম্পর্ক থাকার পরও কেন এমন অভিযোগ জানি না। তিনি মাধবদী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন, বর্তমানে দলীয় কোন পদে নেই বলেও জানান।
এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে কারখানার উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) খোরশেদ আলম সিদ্দিকিসহ কারখানার অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।




















