ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই গুণী অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ ব্র্যান্ড ওনার হিসেবে সম্মাননা পেলেন আদ্রিজা সাংবাদিক মোস্তফা খানের জন্মদিন আজ সুপারন্যাচারাল সিরিজে ভ্যাম্পায়ারের ভূমিকায় সিফাত নুসরাত ঈদ লাইফস্টাইল ফ্যাশন রানওয়েতে সম্মাননায় রাকেশ রাকিব ‘রায়পুরা এখন টোলমুক্ত’- দৃঢ় অবস্থানে এমপি আশরাফ উদ্দিন একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ রায়পুরায় রমজান উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা রায়পুরায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা মাহমুদাবাদ রাজিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

দুই গুণী অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
আলোকিত খবর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হৃদয় খান, স্টাফ রিপোর্টার:

অভিনয় জগতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র গোলাম মুস্তাফা ও এ টি এম শামসুজ্জামান। মঞ্চ থেকে শুরু করে টিভি নাটক ও সিনেমা-অভিনয়ের সব মাধ্যমকেই তারা করেছেন সমৃদ্ধ। আজ এ দুজনই পৃথিবীতে নেই। একই দিনে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি দিয়েছেন গুণী দুই অভিনেতা। আজ তাদের মৃত্যুবার্ষিকী। আজ থেকে ২৩ বছর আগে ২০০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান অভিনেতা গোলাম মুস্তাফা। এদিকে পাঁচ বছর আগে এদিনেই চলে যান এ টি এম শামসুজ্জামান। তিনি মারা যান ২০২১ সালে।

গোলাম মুস্তাফার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বরিশালে। স্কুল-কলেজে পড়াকালেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে। জেলা শহরের টাউনহলে প্রথম মঞ্চে অভিনয়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে আসেন ঢাকায়। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি নাটকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি সিনেমায়ও হয়ে ওঠেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। বাংলা ও উর্দু মিলে প্রায় তিনশ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি আবৃত্তিশিল্পী হিসেবেও সুনাম ছিল তার। অভিনয়ের জন্য তিনবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। মৃত্যুর দুই বছর আগে ২০০১ সালে পেয়েছিলেন একুশে পদক।

অন্যদিকে, এ টি এম শামসুজ্জামানের জন্ম নোয়াখালীতে। লক্ষ্মীপুরেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন ঢাকায়। ১৯৬৫ সালে ‘নয়া জিন্দগানি’ সিনেমা দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। তবে প্রথম অভিনীত সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায় ছোট্ট চরিত্রে দেখা গেলেও পরে চিত্রনাট্যকার হিসেবেই কাজ করেছেন বেশি। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’তে খল চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয় হন। এরপর অভিনয়ে বর্ণিল এক ক্যারিয়ার পার করেছেন তিনি। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রামের সুমতি’, ‘অশিক্ষিত’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’সহ অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০১৫ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। আজীবন সম্মাননা ছাড়াও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুই গুণী অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় : ১১:৫১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হৃদয় খান, স্টাফ রিপোর্টার:

অভিনয় জগতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র গোলাম মুস্তাফা ও এ টি এম শামসুজ্জামান। মঞ্চ থেকে শুরু করে টিভি নাটক ও সিনেমা-অভিনয়ের সব মাধ্যমকেই তারা করেছেন সমৃদ্ধ। আজ এ দুজনই পৃথিবীতে নেই। একই দিনে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি দিয়েছেন গুণী দুই অভিনেতা। আজ তাদের মৃত্যুবার্ষিকী। আজ থেকে ২৩ বছর আগে ২০০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান অভিনেতা গোলাম মুস্তাফা। এদিকে পাঁচ বছর আগে এদিনেই চলে যান এ টি এম শামসুজ্জামান। তিনি মারা যান ২০২১ সালে।

গোলাম মুস্তাফার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বরিশালে। স্কুল-কলেজে পড়াকালেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে। জেলা শহরের টাউনহলে প্রথম মঞ্চে অভিনয়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে আসেন ঢাকায়। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি নাটকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি সিনেমায়ও হয়ে ওঠেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। বাংলা ও উর্দু মিলে প্রায় তিনশ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি আবৃত্তিশিল্পী হিসেবেও সুনাম ছিল তার। অভিনয়ের জন্য তিনবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। মৃত্যুর দুই বছর আগে ২০০১ সালে পেয়েছিলেন একুশে পদক।

অন্যদিকে, এ টি এম শামসুজ্জামানের জন্ম নোয়াখালীতে। লক্ষ্মীপুরেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন ঢাকায়। ১৯৬৫ সালে ‘নয়া জিন্দগানি’ সিনেমা দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। তবে প্রথম অভিনীত সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায় ছোট্ট চরিত্রে দেখা গেলেও পরে চিত্রনাট্যকার হিসেবেই কাজ করেছেন বেশি। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’তে খল চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয় হন। এরপর অভিনয়ে বর্ণিল এক ক্যারিয়ার পার করেছেন তিনি। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রামের সুমতি’, ‘অশিক্ষিত’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’সহ অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০১৫ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। আজীবন সম্মাননা ছাড়াও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার।